করপোরেট ট্র্যাকিং প্রতিষ্ঠান কোরিয়া সিএক্সও ইনস্টিটিউটের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসে স্যামসাংয়ের একজন কর্মী গড়ে প্রায় ৩ কোটি ৬০ লাখ ওন বা ২৬ হাজার ৫০০ ডলার আয় করেছেন। প্রতিষ্ঠানটির সোমবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। স্যামসাংয়ের ঘোষিত জানুয়ারি থেকে মার্চের আর্থিক বিবরণীর ওপর ভিত্তি করে এ হিসাব করেছে কোরিয়া সিএক্সও।
সংস্থাটির তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে কর্মীদের বেতন ও বোনাস বাবদ স্যামসাং মোট ৪ লাখ ২৫ হাজার কোটি থেকে ৪ লাখ ৭৯ হাজার কোটি ওন খরচ করেছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির মোট বেতন-ভাতাসংক্রান্ত খরচ ছিল ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি ওন। সাধারণত এ খাতের মোট ব্যয়ের ৭৬ থেকে ৮৫ দশমিক ৫ শতাংশ সরাসরি কর্মীদের মূল বেতন ও বোনাস হিসেবে দেয়া হয়।
স্যামসাংয়ের ইতিহাসে এবারই প্রথম বেতন-ভাতাসংক্রান্ত খরচ ৫ লাখ কোটি ওন পার হলো। গত বছরের একই সময়ে এ খরচের পরিমাণ ছিল ৪ লাখ ৪৫ হাজার কোটি ওন।
দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় পেনশন নিবন্ধনের তথ্য অনুযায়ী, স্যামসাং ইলেকট্রনিকসে বর্তমানে ১ লাখ ২৫ হাজার ৫৮০ জন কর্মী কাজ করছেন। এ বিশালসংখ্যক কর্মীর সংখ্যার সঙ্গে মোট ব্যয়ের অনুপাত হিসাব করে কোরিয়া সিএক্সও ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, প্রথম প্রান্তিকে কর্মীদের গড় ত্রৈমাসিক বেতন দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৬০ লাখ ওন, যা মাসে দাঁড়ায় প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ ওন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছরের প্রথম প্রান্তিকের তুলনায় এবার স্যামসাং কর্মীদের বেতন উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। গত বছরের প্রথম তিন মাসে স্যামসাং কর্মীদের গড় বেতন ছিল ২ কোটি ৭০ লাখ থেকে ৩ কোটি ওন। সে তুলনায় এবার কর্মীদের আয় বেড়েছে প্রায় ২৫ শতাংশ।
প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ওহ ইল-সন বলেন, ‘স্যামসাং ইলেকট্রনিকস এমন একটি প্রতিষ্ঠান, যেখানে নির্ধারিত মাসিক বেতনের চেয়ে পারফরম্যান্স বোনাস বা কাজের দক্ষতার ওপর দেয়া বোনাসের প্রভাব অনেক বেশি থাকে।’





















