কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির অব্যাহত চাহিদার কারণে আগামী অর্থবছরে আয় ৭০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে চিপ নির্মাতা এনভিডিয়া। প্রতিষ্ঠানটির দেওয়া এই পূর্বাভাস ওয়াল স্ট্রিটের বিশ্লেষকদের প্রত্যাশার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এনভিডিয়ার আগামী অর্থবছর শেষ হবে ২০২৮ সালের জানুয়ারিতে। ওই সময়ে কোম্পানিটির আয় ৭০ শতাংশ বাড়তে পারে বলে প্রত্যাশা করছে প্রতিষ্ঠানটি। বিপরীতে বিশ্লেষকদের গড় পূর্বাভাস ছিল ৪৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধির।
এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জেনসেন হুয়াং বলেন, ‘এআই এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের পর্যায়ে পৌঁছেছে। প্রযুক্তিটি বাস্তব কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং এসব ব্যবহার থেকে আয় ও মুনাফা তৈরি হচ্ছে। ফলে এআইয়ের জন্য কম্পিউটিং সক্ষমতার চাহিদাও বাড়ছে।’
এনভিডিয়ার মতে, এআই অবকাঠামোয় বিনিয়োগ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের চিপের ক্রেতার পরিধিও বিস্তৃত হচ্ছে। আগে বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোই এআই চিপের প্রধান ক্রেতা থাকলেও এখন এআই ক্লাউড সেবা, বৃহৎ করপোরেট প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন দেশের সরকারি ও সার্বভৌম ক্রেতা এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানও এ খাতে বিনিয়োগ করছে।
ফুতুরাম ইকুইটিজের প্রধান বাজার কৌশলবিদ শে বোলুর বলেন, এআই চিপের চাহিদা এখন আর কেবল কয়েকটি বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। নতুন ধরনের ক্রেতা বাজারে যুক্ত হওয়ায় চাহিদার ক্ষেত্রও বড় হচ্ছে।
এদিকে এআই চিপের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের ভেরা রুবিন প্রসেসর প্ল্যাটফর্ম নিয়েও এগিয়ে যাচ্ছে এনভিডিয়া। কোম্পানিটির তথ্য অনুযায়ী, এরই মধ্যে গ্রাহকদের কাছে প্ল্যাটফর্মটির সরবরাহ শুরু হয়েছে।
চলতি জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে এনভিডিয়ার ডেটা সেন্টার ব্যবসার মোট আয়ের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ ভেরা রুবিন প্ল্যাটফর্ম থেকে আসতে পারে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। পাশাপাশি আগামী বছর এআই গবেষণাগারগুলোও কোম্পানিটির ব্যবসা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করছে এনভিডিয়া।





















