দামি এলজি ফ্রিজ কেনার পর প্রথম বছরেই আইস ডিসপেনসার নষ্ট হওয়া এবং সার্ভিসিংয়ের জন্য নিয়ে যাওয়ার পর পণ্যের বডিতে বড় ধরনের আঘাতের দাগ পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন এক গ্রাহক। দীর্ঘদিন ব্যবহারের পর একই সমস্যা আবার দেখা দেওয়ায় Rangs eMart ও LG Global-এর দৃষ্টি আকর্ষণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ‘RobinRafan’ নামের এক ব্যবহারকারী।
গ্রাহকের দাবি, তিনি ২৩ মে ২০২৩ তারিখে ফ্রিজটি কেনেন। কেনার প্রথম বছরেই এর আইস ডিসপেনসার কাজ করা বন্ধ করে দেয়। একই সময়ে ফ্রিজ ঠান্ডা না হওয়ায় ভেতরের খাবার নষ্ট হয়ে যাওয়ার পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল বলে জানান তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে ওই গ্রাহক বলেন, সে সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রে থাকায় বিষয়টি নিয়ে সেখান থেকে পোস্ট করেছিলেন। পরে একটি তৃতীয় পক্ষের সার্ভিস সেন্টার থেকে কর্মী এসে ফ্রিজটি নিয়ে যান।
তাঁর অভিযোগ, সার্ভিসিং শেষে ফ্রিজটি ফেরত দেওয়ার সময় এর বডিতে বড় ধরনের আঘাতের দাগ তৈরি হয়েছিল। এসব জায়গায় স্টিকার লাগানো এবং আরও কয়েকটি বড় দাগ থাকলেও তখন বিষয়টি নিয়ে আর কথা বাড়াননি বলে জানান তিনি।
গ্রাহকের ভাষ্য, সে সময় বাসায় শুধু একজন সহকারী থাকায় তিনি বিষয়টি বুঝতে পারেননি এবং তাঁকেও যুক্তরাষ্ট্রে এ বিষয়ে জানানো হয়নি। দেশে ফিরে নিজে ফ্রিজটি পরীক্ষা করার পর বডিতে থাকা আঘাতের দাগগুলো দেখতে পান বলে দাবি করেন তিনি।
তবে সেই ঘটনার পর প্রায় এক বছর ফ্রিজটি ব্যবহারের পর এখন আবার আগের মতো সমস্যা দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর।
পোস্টে হতাশা প্রকাশ করে ওই গ্রাহক বলেন, অনেক টাকা দিয়ে কেনা একটি ফ্রিজ ন্যূনতম ছয়-সাত বছর ঠিকভাবে ব্যবহার করতে না পারলে এমন পণ্য কেনার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।
তিনি আরও জানান, এর আগে অন্য একটি ব্র্যান্ডের ফ্রিজ প্রায় সাত বছর কোনো ধরনের বড় সমস্যা ছাড়াই ব্যবহার করেছিলেন। এলজির বিজ্ঞাপন দেখে পুরোনো ফ্রিজ পরিবর্তন করে নতুন মডেলটি কেনার সময় তাঁর প্রত্যাশা ছিল ভালো সেবা পাওয়ার। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি হতাশ হয়েছেন।
Rangs eMart এবং LG Global-এর দৃষ্টি আকর্ষণ করে গ্রাহক বলেন, প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব লোকজন যদি সার্ভিসিং দিতে না পারেন, তাহলে এ ধরনের পণ্য কেনার আগে ক্রেতাদের বিষয়টি নিয়ে ভাবা উচিত।
এক পর্যায়ে তিনি ফ্রিজটি ফেরত নিয়ে যাওয়ারও অনুরোধ করেন। একই সঙ্গে রিফান্ড বা সার্ভিস—কোনোটিই চান না জানিয়ে তিনি লেখেন, পণ্যটি ফেরত নেওয়াই তাঁর পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠানের জন্য ‘গিফট’।






















