বিশ্ববাজারে স্মার্টফোন বিক্রি বাড়লেও খাতটি থেকে মুনাফা করতে পারছে না দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তি জায়ান্ট স্যামসাং। চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) অ্যাপলকে পেছনে ফেলে বিশ্বের শীর্ষ স্মার্টফোন বিক্রেতার স্থান ফিরে পায় কোম্পানিটি। তবে র্যাম ও স্টোরেজের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে স্যামসাংয়ের। ফলে বিক্রি বাড়লেও মুনাফা বাড়াতে পারছে না টেক জায়ান্টটি।
মানি টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমান পরিস্থিতির কারণে স্যামসাং চলতি বছরের চতুর্থ প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) স্মার্টফোন উৎপাদন ২০-৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দেয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে সরবরাহকারীদের। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর স্যামসাংকে প্রতিটি ১২ জিবি এলপিডিডিআর৫এক্স র্যাম চিপের জন্য প্রায় ১৪৫ ডলার খরচ করতে হচ্ছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ১৭৫ শতাংশ বেশি।
উৎপাদন হ্রাসের সিদ্ধান্তের আগে কোম্পানিটি চলতি বছর প্রায় ২৭ কোটি স্মার্টফোন তৈরির পরিকল্পনা করেছিল। এখন এ সংখ্যা কমে প্রায় ২০ কোটিতে নেমে আসতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। উৎপাদন খরচ সামাল দিতে গ্যালাক্সি এস২৬ সিরিজ ও ফোল্ডেবল ফোনের দাম কিছুটা বাড়িয়ে বাজারজাত করে স্যামসাং। এমনকি নতুন ফ্ল্যাগশিপ ফোনগুলোর দাম ১০০ ডলার পর্যন্ত বাড়ানো হয়।
পুরনো ফ্ল্যাগশিপ ও মিড-রেঞ্জ ফোনগুলোর দামও আগের তুলনায় অনেক বেশি। কিন্তু এত দাম বাড়িয়েও স্যামসাংয়ের মোবাইল বিভাগ কোনো মুনাফা অর্জন করতে পারছে না।
বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি দ্রুত উন্নতির কোনো লক্ষণ নেই। কারণ তৃতীয় প্রান্তিকে ডিআরএএমের দাম আরো ২০ শতাংশ বেড়ে ১৮০ ডলারে পৌঁছতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।





















