Techzoom.TV
  • সর্বশেষ
  • প্রযুক্তি সংবাদ
  • টেলিকম
  • অটো
  • ফিচার
    • সোশ্যাল মিডিয়া
    • কিভাবে করবেন
  • শিক্ষা ও ক্যাম্পাস
  • অর্থ ও বাণিজ্য
No Result
View All Result
Techzoom.TV
  • সর্বশেষ
  • প্রযুক্তি সংবাদ
  • টেলিকম
  • অটো
  • ফিচার
    • সোশ্যাল মিডিয়া
    • কিভাবে করবেন
  • শিক্ষা ও ক্যাম্পাস
  • অর্থ ও বাণিজ্য
No Result
View All Result
Techzoom.TV
No Result
View All Result
ADVERTISEMENT

স্বপদে বহাল থাকেন হাজতবাসে থাকা ঢাবি শিক্ষকরা, বেতন-ভাতাও পান নিয়মিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, টেকজুম ডটটিভি by নিজস্ব প্রতিবেদক, টেকজুম ডটটিভি
শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৫
স্বপদে বহাল থাকেন হাজতবাসে থাকা ঢাবি শিক্ষকরা, বেতন-ভাতাও পান নিয়মিত
Share on FacebookShare on Twitter

রাজধানীর শাহবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় কারাগারে আছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন। শুধু তিনি একা নন, বর্তমানে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট চারজন অধ্যাপক হাজতবাসে রয়েছেন। সরকারি চাকরি বিধি অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মচারী ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত হয়ে গ্রেপ্তার বা হাজতে থাকলে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করার নিয়ম রয়েছে। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান, যা পরিচালিত হয় ১৯৭৩ সালের বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ অনুযায়ী। এ অধ্যাদেশে গ্রেপ্তার বা হাজতবাসের কারণে শিক্ষকদের সাময়িক বরখাস্তের কোনো বিধান নেই। ফলে কারাগারে থাকলেও অধ্যাপকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বপদে বহাল থাকছেন এবং নিয়মিত বেতন-ভাতাও পাচ্ছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১৯৬১ সালের বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশে সাময়িক বরখাস্তের নিয়ম ছিল। কিন্তু বর্তমান ১৯৭৩ সালের অধ্যাদেশে সেই বিধান রাখা হয়নি। তবে দেশের অন্যান্য সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিয়ম অনুয়ায়ী আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়ার পর অভিযুক্তদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্ত হলেও তারা অবশ্য খোরপোষ ভাতা পেয়ে থাকেন।

দেশের চারটি স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে, তারা ১৯৭৩ সালের অধ্যাদেশ অনুযায়ী চলে। এসব হলো-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। বাকি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো চলে নিজেদের আইনে।

এ বিষয়ে বিদ্যমান সরকারি চাকরি বিধির সঙ্গে সংগতি রেখে কিংবা পুরোনো বিধান পুনর্বহাল করে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব কি না—তা নিয়ে চিন্তা করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এজন্য দেশের সর্বোচ্চ আদালতের আইনজীবীর কাছে পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছে প্রশাসন।

বর্তমানে কারাগারে অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন ছাড়াও রয়েছেন একই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ডিন অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম, যিনি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সাবেক চেয়ারম্যান। কারাগারে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক আবুল বারকাত ও লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ। তারা সবাই আওয়ামীপন্থী শিক্ষক হিসেবে পরিচিত এবং গত ১৬ বছরে আওয়ামী লীগের নানা সুবিধা নিয়েছেন। তবে অধ্যাপক আবুল বারকাত বিশ্ববিদ্যালয়টি নিয়মিত চাকরিরত শিক্ষক নন, অর্থাৎ তিনি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসরে গেছেন।

অধ্যাপক আবুল বারকাত জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পান ২০০৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বর। দ্বিতীয় মেয়াদে ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ছিলেন। এক সময় ভালো ব্যাংকের কাতারে থাকা জনতা ব্যাংক বারকাতের অধীনে আর্থিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে বলে অভিযোগ রয়েছে। ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর গত ২৫ ফেব্রুয়ারি জনতা ব্যাংকে ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে অ্যাননটেক্সের ২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করা হয়। সে মামলায় গ্রেপ্তার হয়েই বর্তমানে কারাগারে আছেন বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাবেক সভাপতি আবুল বারকাত।

জানা গেছে, বছর ছয়েক আগে অধ্যাপক বারকাত ঢাবির অর্থনীতি বিভাগ থেকে অবসরে গিয়ে জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগের প্রতিষ্ঠা করেন এবং বিভাগটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেন। জানতে চাইলে জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগের বর্তমান চেয়ারম্যান লোপামুদ্রা মালেক বলেন, অধ্যাপক আবুল বারকাত স্যার বিভাগে এখন নেই। উনি অবসরে গেছেন।

দুদকের করা মামলায় কারাগারে রয়েছেন বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম। ভুয়া বাড়িভাড়া চুক্তিনামা দেখিয়ে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে তিনি ১ কোটি ৯২ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণ করেন বলে অভিযোগ। এছাড়া ভুয়া বিক্রি চুক্তি দেখিয়ে পণ্য রফতানি না করে প্রতারণা ও জালিয়াতির আশ্রয় নেয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নেতৃত্ব পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় গত বছরের ১০ আগস্ট রাতে বিএসইসি চেয়ারম্যানের পদ ছাড়েন অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম। পরে তাকে গত ৪ ফেব্রুয়ারি ধানমন্ডি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিনের দায়িত্ব পালন করা অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতকে জুলাই আন্দোলনের কয়েকটি মামলায়ও আসামি করা হয়েছে।

চলতি আগস্ট মাসের শেষের দিকে মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহকে। উন্নয়নকাজের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গত ১৮ জুন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক দুই উপাচার্য অধ্যাপক কলিমউল্লাহ এবং অধ্যাপক একেএম নূর-উন-নবীসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত বেরোবির উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি কারাগারে আছেন।

সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) সকালে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমানসহ অন্যরা ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) গোলটেবিল আলোচনায় অংশ নিতে যান। ‘আমাদের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের সংবিধান’শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনার আয়োজক ছিল ‘মঞ্চ ৭১’ নামের একটি প্ল্যাটফর্ম। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশের সংবিধানের অন্যতম প্রণেতা ও গণফোরামের ইমেরিটাস সভাপতি ড. কামাল হোসেনের নাম ছিল। তবে তিনি সেখানে ছিলেন না। সকাল ১০টায় গোলটেবিল আলোচনা শুরুর কথা থাকলেও বেলা ১১টায় আলোচনা সভাটি শুরু হয়।

আলোচনা সভায় প্রথমে বক্তব্য দেন শেখ হাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আমরা দেখতে পাচ্ছি, দেশের সংবিধানকে ছুড়ে ফেলার পাঁয়তারা করা হচ্ছে। এর পেছনে রয়েছে জামায়াত-শিবির ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বে তারা মুক্তিযোদ্ধাদের জুতার মালা পরাচ্ছে।’ শেখ হাফিজুর রহমানের বক্তব্য শেষ হওয়ার পরই মিছিল নিয়ে একদল ব্যক্তি ডিআরইউ মিলনায়তনে ঢোকেন। এ সময় তাঁরা ‘জুলাইয়ের হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার’, ‘লীগ ধর, জেলে ভর’, ‘জুলাইয়ের যোদ্ধারা, এক হও লড়াই করো’ প্রভৃতি স্লোগান দেন। একপর্যায়ে তাঁরা গোলটেবিল আলোচনার ব্যানার ছিঁড়ে আলোচনায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের অবরুদ্ধ করে রাখেন। দুপুর সোয়া ১২টার দিকে পুলিশের (ডিএমপি) একটি দল এলে তাঁরা পুলিশের কাছে লতিফ সিদ্দিকী, শেখ হাফিজুর রহমান, সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলমসহ অন্তত ১৬ জনকে তুলে দেন। পরে তাদের শাহবাগ থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত।

জানা যায়, বাংলাদেশ সরকারি চাকরি বিধি ১৯৭৩ এর পার্ট ১, বিধি ৭৩ এর নোট ১ অনুযায়ী ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত সরকারি কর্মচারীর গ্রেপ্তার বা হাজতবাসের কারণে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। সাময়িক বরখাস্ত হলেও খোরপোষ ভাতা দেওয়া। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশে এরকম কোনো বিধান নেই। তবে নৈতিক স্খলন কিংবা অভ্যন্তরীণ চাকরির শৃঙ্খলার পরিপন্থী আচরণ করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বা কর্মকর্তাকে শাস্তি বা বরখাস্ত করা যাবে। তবে দেশের প্রচলিত ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত কেউ যদি গ্রেপ্তার বা হাজতবাসের থাকলে তার কোনো শাস্তি বা বরখাস্ত করতে পারে না বিশ্ববিদ্যালয়। যতক্ষণ না অপরাধী দোষী সাব্যস্ত না হয়। যদি দোষী সাব্যস্ত হয় তাহলেই তার বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিতে পারে।

বিষয়টি নিয়ে কথা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক ও প্রশাসনে দায়িত্বরতদের। তারা বলছেন, ৫ আগস্ট ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ধশতেরও অধিক আওয়ামীপন্থী বিভাগের সব ধরনের শিক্ষা-কার্যক্রম থেকে বিরত রয়েছেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া, আন্দোলনে যেতে বাঁধা ও হুমকি প্রদান, ছাত্রলীগকে আন্দোলনকারীদের তথ্য প্রদান, নীল দলের মিছিলে অংশ নেওয়াসহ নানা অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে। তবে তারা সব ধরনের শিক্ষা-কার্যক্রম থেকে বিরত থাকলেও নিয়মিত বেতন-ভাতাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কোনো বিধান নেই। যদিও তাদের এসব অভিযোগ খতিয়ে দেখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক কমিটি কাজ করছে।

এদিকে, ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত এমন কয়েকজন শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠালে নড়েচড়ে বসে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কোনো বিধান না থাকায় কিছুটা হতবাকও হয়েছেন তারা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে দায়িত্বরত এক কর্মকর্তা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩ এর অধ্যাদেশ অনুযায়ী কেউ যদি অপরাধের দোষী সাব্যস্ত (convicted) না হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। অর্থাৎ, তার শাস্তি যদি এক বছর দেয় আদালত, তারপর আদালতের সেই রায় দেখে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবস্থা নিতে পারি। এর আগে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারি না। আমরা নতুন প্রশাসন এসে সেটা পর্যালোচনা করতে গিয়ে অনেকটাই হতবাক হয়ে যায়। তবে তার আগে ১৯৬১ সালের অধ্যাদেশে প্রচলিত সরকারি কর্মচারীদের মতো শাস্তি ছিল বলে তিনি জানান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের একটি বিভাগের এক অধ্যাপক বলেন, আদালতে দোষী সাব্যস্ত ছাড়া কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে না বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ফলে কেউ যদি জেলে গিয়েও দিনের পর দিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকেন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে না বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কিন্তু শিক্ষা ছুটিতে বিদেশ গিয়ে কেউ যদি নির্ধারিত সময়ের বেশি ছুটি কাটান তাহলে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়। আমার বিভাগের দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমনটাই হয়েছে।

জানতে চাইলে ঢাবির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট কোন ঘটনা হয়ে থাকলে বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়ে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট নয় এমন কোন বিষয়ে তখন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয় না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী আদালত কর্তৃক শাস্তি পাওয়ার আগ পর্যন্ত চাকরিচ্যুত এর মতো কোন ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। তবে অভিযুক্তের ডিপার্টমেন্টে তিনি কোন পর্যায়ে আছেন (যেমন: অনেক শিক্ষক ছুটিতে থাকে) এটির উপর বিবেচনা করে আইনজীবী পরামর্শক্রমে অন্যান্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, এরকম বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। আমরা মতামত জানতে আমাদের আইনজীবীদের ইতিমধ্যেই বলেছি। তারা যে ফিডব্যাক দেবেন তা পর্যালোচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত নেব।

ঢাবির অধ্যাপক ও একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য নাম প্রকাশ না-করার শর্তে বলেন, যতদূর জানি দেশের অন্যান্য সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিয়ম অনুয়ায়ী আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়ার পর অভিযুক্তদের সাময়িক বরখাস্ত করার বিধান আছে। তবে সাময়িক বরখাস্ত হলেও খোরপোষ ভাতা দেওয়ার নিয়মও আছে।

তিনি আরও বলেন, ঢাবি চলে ১৯৭৩ সালের অধ্যাদেশ অনুযায়ী। যতটুকু জানি এরকম অপরাধে কেউ জড়িত হয়ে কারাগারে থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান সেই অধ্যাদেশে নেই।

এই বিভাগ থেকে আরও পড়ুন

ঢাবি ভিসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘জামায়াতি প্রশাসন’ আখ্যা দিল ছাত্রদল
শিক্ষা ও ক্যাম্পাস

ঢাবি ভিসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘জামায়াতি প্রশাসন’ আখ্যা দিল ছাত্রদল

চাকরিতে ‘রাজনৈতিক পরিচয় যাচাই’ প্রথা এখনো বহাল, বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেই সংস্কার সুপারিশের
শিক্ষা ও ক্যাম্পাস

চাকরিতে ‘রাজনৈতিক পরিচয় যাচাই’ প্রথা এখনো বহাল, বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেই সংস্কার সুপারিশের

ভেরিটাস এডুটেক: বিশ্বমঞ্চে সাফল্যের সোপান
শিক্ষা ও ক্যাম্পাস

ভেরিটাস এডুটেক: বিশ্বমঞ্চে সাফল্যের সোপান

পদ্মা ব্যাংকে বিএম পদে চাকরি
শিক্ষা ও ক্যাম্পাস

পদ্মা ব্যাংকে বিএম পদে চাকরি

পাইথন ও মেশিন লার্নিং এর উপর প্রশিক্ষণ শেষ করলেন সিইউবি ইইই বিভাগের শিক্ষার্থীরা
শিক্ষা ও ক্যাম্পাস

পাইথন ও মেশিন লার্নিং এর উপর প্রশিক্ষণ শেষ করলেন সিইউবি ইইই বিভাগের শিক্ষার্থীরা

শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তার এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার ব্যবসায়ী স্ত্রী
প্রযুক্তি সংবাদ

শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তার এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার ব্যবসায়ী স্ত্রী

Load More

ট্রেন্ডিং টপিক

নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের
বিবিধ

নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের

অ্যাপল ইভেন্ট আজ: নজর কাড়বে কম দামের ম্যাকবুক ও সাশ্রয়ী আইফোন ১৭ই
নির্বাচিত

অ্যাপল ইভেন্ট আজ: নজর কাড়বে কম দামের ম্যাকবুক ও সাশ্রয়ী আইফোন ১৭ই

মার্চ মাসেই অপো ডিভাইসে আসছে ColorOS 16 (Android 16): জেনে নিন আপডেট পাওয়ার তালিকা
নির্বাচিত

মার্চ মাসেই অপো ডিভাইসে আসছে ColorOS 16 (Android 16): জেনে নিন আপডেট পাওয়ার তালিকা

সেবা এক্সওয়াইজেড-এর সিইও আদনান ইমতিয়াজের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা: ১৮ লাখ টাকা কর ফাঁকির অভিযোগ
অর্থ ও বাণিজ্য

সেবা এক্সওয়াইজেড-এর সিইও আদনান ইমতিয়াজের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা: ১৮ লাখ টাকা কর ফাঁকির অভিযোগ

সপ্তাহের সবচেয়ে পঠিত

বিদ্যুৎ ব্যবস্থার সুরক্ষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: সিমেন্সে বাংলাদেশি প্রকৌশলীর নতুন দিগন্ত

বিদ্যুৎ ব্যবস্থার সুরক্ষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: সিমেন্সে বাংলাদেশি প্রকৌশলীর নতুন দিগন্ত

২০২৬ সালে ১০ হাজার টাকার মধ্যে সেরা ৫ স্মার্টফোন

২০২৬ সালে ১০ হাজার টাকার মধ্যে সেরা ৫ স্মার্টফোন

সেবা এক্সওয়াইজেড-এর সিইও আদনান ইমতিয়াজের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা: ১৮ লাখ টাকা কর ফাঁকির অভিযোগ

সেবা এক্সওয়াইজেড-এর সিইও আদনান ইমতিয়াজের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা: ১৮ লাখ টাকা কর ফাঁকির অভিযোগ

১০ হাজার টাকার মধ্যে ভিভো মোবাইল 2024

১০ হাজার টাকার মধ্যে ভিভো মোবাইল 2024

ADVERTISEMENT

সর্বশেষ সংযোজন

ইরানি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফোনালাপ পুতিনের
বিবিধ

ইরানি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফোনালাপ পুতিনের

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন...

ইসরায়েলে রাতভর ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইরান

ইসরায়েলে রাতভর ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইরান

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এলএলবি পরীক্ষায় নকল ধরায় শিক্ষককে মারধর

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এলএলবি পরীক্ষায় নকল ধরায় শিক্ষককে মারধর

নাথিংয়ের নতুন ফোন আসছে, যেসব আপডেট পাবেন

নাথিংয়ের নতুন ফোন আসছে, যেসব আপডেট পাবেন

মাসের সবচেয়ে পঠিত

স্টার টেকের ৯২ হাজার টাকার ল্যাপটপ নিয়ে তুঘলকি কাণ্ড: চরম হয়রানির শিকার ক্রেতা

স্টার টেকের ৯২ হাজার টাকার ল্যাপটপ নিয়ে তুঘলকি কাণ্ড: চরম হয়রানির শিকার ক্রেতা

ইফতারে কোন জায়গায় বিরিয়ানি দিবে জানতে ‘ইফতার ও বিরিয়ানি ট্র্যাকার’

ইফতারে কোন জায়গায় বিরিয়ানি দিবে জানতে ‘ইফতার ও বিরিয়ানি ট্র্যাকার’

অ্যান্ড্রয়েড ১৬-এর ‘অ্যাডভান্সড প্রটেকশন’ মোড কী?

অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের সর্বোচ্চ ১০০ ডলার ক্ষতিপূরণ দেবে গুগল

মন্ত্রিসভায় শপথের জন্য ডাক পেলেন যারা

মন্ত্রিসভায় শপথের জন্য ডাক পেলেন যারা

ADVERTISEMENT
Facebook Twitter Instagram Youtube
Techzoom.TV

টেকজুম প্রথম বাংলা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক ২৪/৭ মাল্টিমিডয়া পোর্টাল। প্রায় ১৫ বছর ধরে টেকজুম বিশ্বস্ত ডিজিটাল মিডিয়া প্রকাশনা হিসেবে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, শিক্ষা এবং ফিনটেক সংক্রান্ত নানা বিস্তৃত বিষয় কভার করেছে। এটি বিশ্বব্যাপী বাংলা ভাষাভাষীদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে ডিজিটাল মিডিয়া প্রকাশনাটি। বিস্তারিত পড়ুন

সম্পাদক ও প্রকাশক:

মো. ওয়াশিকুর রহমান

অনুসরণ করুন

যোগাযোগ

নিউজরুম
+88017 98 07 99 88
+88016 23 844 776
ই-মেইল: techzoom.tv@gmail.com

সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং
+88017 41 54 70 47
ই-মেইল: techzoom.tv@gmail.com

স্বত্ব © ২০২৪ টেকজুম | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed and Maintained by Team MediaTix

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রযুক্তি সংবাদ
  • টেলিকম
  • অটো
  • ফিচার
    • সোশ্যাল মিডিয়া
    • কিভাবে করবেন
  • শিক্ষা ও ক্যাম্পাস
  • অর্থ ও বাণিজ্য

স্বত্ব © ২০২৪ টেকজুম | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed and Maintained by Team MediaTix