দেশের বাজারে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে পিওর গোল্ড বা তেজাবি স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ সকাল ১০টা থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হচ্ছে।
এর আগে গতকাল বাজুস ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করেছিল ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকা। মাত্র এক দিনের ব্যবধানে আবারো দাম কমানো হলো।
নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট ২ লাখ ৯ হাজার ৮৯৪ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৮০ হাজার ২৬৭ এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই মূল্য কার্যকর থাকবে। তবে অলংকারের নকশা ও কারুকাজভেদে মজুরি আলাদাভাবে যোগ হবে। যেহেতু নির্ধারিত দামের মধ্যে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, তাই গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া অলংকার এক্সচেঞ্জ ও পুনঃক্রয়ের ক্ষেত্রে ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে বাজুসের বিদ্যমান নীতিমালাই অনুসরণ করা হবে।
চলতি বছরে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম মোট ৯১ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৪ দফা দাম বেড়েছে, ৪৬ দফা কমেছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। আর গত বছরে মোট ৯৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে স্বর্ণের দাম ৬৪ বার বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
অপরদিকে স্বর্ণের দাম কমলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রৌপ্যের দাম। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রৌপ্য বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৬০৭ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেট ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৩ হাজার ৭৯১ এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রৌপ্যের দাম ২ হাজার ৮৫৮ টাকা।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৫৬ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রৌপ্যের দাম। যেখানে দাম ২৮ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ২৮ দফা। আর গত বছর মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রৌপ্যের দাম, যেখানে বেড়েছিল ১০ বার।



















