স্মার্টফোন বাজারে আবারও কম্পন ধরাতে প্রস্তুত জনপ্রিয় ব্র্যান্ড iQOO। লিক হওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগামী মে মাসেই বাজারে আসতে পারে তাদের নতুন ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন, যা সম্ভবত iQOO 15 সিরিজের অংশ হতে যাচ্ছে। বিশাল ব্যাটারি, অত্যাধুনিক চিপসেট এবং প্রিমিয়াম ক্যামেরার সমন্বয়ে এই ফোনটি ফ্ল্যাগশিপ সেগমেন্টের বর্তমান সমীকরণ বদলে দিতে পারে।
২কে (2K) রেজোলিউশন ও আল্ট্রাসোনিক সেন্সর
ফোনটির ডিসপ্লে সেকশনে বড় চমক দিচ্ছে iQOO। এতে থাকছে ৬.৮৩ ইঞ্চির বিশাল ফ্ল্যাট OLED প্যানেল, যা ২কে রেজোলিউশন সাপোর্ট করবে। ফলে মুভি দেখা বা গেম খেলার সময় পাওয়া যাবে একদম শার্প এবং জীবন্ত ভিজ্যুয়াল। সুরক্ষার জন্য এতে থাকছে আল্ট্রাসোনিক ইন-ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর, যা সাধারণ অপটিক্যাল সেন্সরের তুলনায় অনেক বেশি দ্রুত ও নিরাপদ।
২০০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা ও ফটোগ্রাফি
ফটোগ্রাফি প্রেমীদের জন্য iQOO সম্ভবত ২০০ মেগাপিক্সেলের একটি শক্তিশালী প্রাইমারি ক্যামেরা যুক্ত করতে যাচ্ছে। এটি দিয়ে অত্যন্ত ডিটেইলড ছবি এবং উন্নত মানের ভিডিও রেকর্ড করা সম্ভব হবে। এছাড়া এআই (AI) ফিচারের সহায়তায় ছবিগুলোকে আরও প্রফেশনাল লুক দেওয়া যাবে।
৮০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের দানবীয় ব্যাটারি
এই ফোনের সবচেয়ে আলোচিত দিক হলো এর ব্যাটারি। লিক রিপোর্ট অনুযায়ী, এতে প্রায় ৭,৮৪৫ mAh ক্ষমতার একটি বিশাল সিঙ্গেল সেল ব্যাটারি ব্যবহার করা হচ্ছে, যা বিপণনের সময় ৮০০০ mAh হিসেবে প্রচার করা হতে পারে। বর্তমান ফ্ল্যাগশিপ ফোনের বাজারে এত বড় ব্যাটারি সত্যিই বিরল, যা হেভি ইউজারদের অন্তত ২-৩ দিন চার্জিংয়ের চিন্তা থেকে মুক্তি দেবে।
ডাইমেনসিটি ৯৫০০-এর শক্তি
পারফরম্যান্সের দিক থেকে এই ফোনটি হবে এক কথায় ‘বিস্ট’। এতে ব্যবহার করা হতে পারে নতুন প্রজন্মের MediaTek Dimensity 9500 চিপসেট। এই প্রসেসরটি উচ্চমানের গেমিং, দ্রুত অ্যাপ লোডিং এবং অ্যাডভান্সড এআই প্রসেসিং নিশ্চিত করবে। শক্তিশালী এই প্রসেসরের কারণে এটি বাজারের অন্যান্য ফ্ল্যাগশিপ ফোনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।
লঞ্চ ও সম্ভাব্য দাম
এখনও পর্যন্ত কোনো অফিসিয়াল ঘোষণা না এলেও, ধারণা করা হচ্ছে আগামী মে মাসেই ফোনটি গ্লোবাল মার্কেটে উন্মোচন করা হবে। প্রিমিয়াম ফিচার এবং আইপি (IP) রেটিং যুক্ত এই ফোনটি মিড-টু-হাই প্রাইস রেঞ্জে বাজারে আসতে পারে।



















