এনভিডিয়ার এইচ২০০ চিপ কেনার জন্য চীনের ১০টি প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দিয়েছে ওয়াশিংটন। তবে অনুমোদনের বেশ কিছুদিন পার হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত একটি চিপও চীনে পৌঁছায়নি। বিষয়টির সঙ্গে জড়িত তিনজন সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খবর রয়টার্স।
এমন পরিস্থিতিতে বাণিজ্য জটিলতা কাটাতে চলতি সপ্তাহে এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জেনসেন হুয়াং চীন সফর করছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বুধবার বেইজিং পৌঁছান।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়ার কারণে মার্কিন সরকার উন্নত চিপ রফতানির ওপর কঠোর বিধিনিষেধ বা ‘এক্সপোর্ট কার্বস’ আরোপ করে। বিধিনিষেধের কারণে এনভিডিয়া চীনের বাজারে সবচেয়ে শক্তিশালী চিপগুলো সহজে বিক্রি করতে পারছিল না। চীনে চিপ বিক্রির স্থবিরতা কাটাতে ও একটি বড় বাজার ফিরে পেতে এনভিডিয়া দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করছিল। সে প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগ শেষ পর্যন্ত চীনের ১০টি প্রতিষ্ঠানকে এইচ২০০ চিপ কেনার অনুমতি দেয়। দীর্ঘদিন ধরে চলমান চিপ রফতানিসংক্রান্ত বিতর্কের সাময়িক সমাধান হিসেবে গত ডিসেম্বরে চীনে রফতানির অনুমতি দেয় যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন বাণিজ্য বিভাগ যেসব চীনা কোম্পানিকে এইচ২০০ চিপ কেনার অনুমতি দিয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে আলিবাবা, টেনসেন্ট, বাইটড্যান্স ও জেডি ডটকমের মতো বড় প্রতিষ্ঠান। এছাড়া লেনোভো ও ফক্সকনের মতো পরিবেশক কোম্পানিগুলোও এ অনুমতি পেয়েছে।
লাইসেন্সের শর্ত অনুযায়ী, প্রতিটি অনুমোদিত কোম্পানি সর্বোচ্চ ৭৫ হাজার পর্যন্ত এইচ২০০ চিপ কিনতে পারবে।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, রফতানি নিষেধাজ্ঞা কঠোর হওয়ার আগে চীনের উন্নত চিপ বাজারের ৯৫ শতাংশই ছিল এনভিডিয়ার দখলে।
এনভিডিয়ার মোট আয়ের ১৩ শতাংশ আসত এশিয়ার দেশটি থেকে। হুয়াংয়ের ধারণা অনুযায়ী, চলতি বছর চীনের এআই বাজারের আকার প্রায় ৫ হাজার কোটি ডলারে দাঁড়াবে ।
তবে এ বিষয়ে মার্কিন বাণিজ্য বিভাগের একজন মুখপাত্র কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। একইভাবে চীনের শিল্প ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় উন্নয়ন ও সংস্কার কমিশনও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি।




















