বিশ্বের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে চলতি সপ্তাহে নতুন করে প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেন-সোর্স মডেলে চীনের মুনশট এআইয়ের অগ্রগতি, মীরা মুরাতির নতুন স্টার্টআপের আত্মপ্রকাশ এবং চীনে অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স চালুর উদ্যোগ প্রযুক্তি খাতে আলোচনায় এসেছে।
চীনা স্টার্টআপ মুনশট এআই তাদের নতুন মডেল Kimi K3(‘কিমি কে৩’) উন্মোচন করেছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ২ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন প্যারামিটারের মিক্সচার-অব-এক্সপার্টস (MoE) মডেলটি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ওপেন-ওয়েট মডেলগুলোর একটি। বিভিন্ন বেঞ্চমার্কে এটি শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক মডেলগুলোর কাছাকাছি পারফরম্যান্স দেখিয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, ওপেনএআইয়ের সাবেক প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা মীরা মুরাতির নতুন প্রতিষ্ঠান ‘থিংকিং মেশিন ল্যাবস’ তাদের প্রথম ওপেন-ওয়েট মাল্টিমোডাল মডেল ‘ইঙ্কলিং’ প্রকাশ করেছে। ৯৭৫ বিলিয়ন প্যারামিটারের মডেলটি অ্যাপাচি ২.০ লাইসেন্সে উন্মুক্ত করা হয়েছে।
এদিকে চীনের বাজারে অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স চালুর পথও খুলছে। দেশটির নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন পেতে অ্যাপল স্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আলিবাবা ও বাইদুর সঙ্গে অংশীদারিত্ব করেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। চীনা বাজারে অ্যাপলের এআই ফিচারে স্থানীয় প্রযুক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে।
সফটওয়্যারের পাশাপাশি হার্ডওয়্যারেও এআইকে যুক্ত করছে ওপেনএআই। কাস্টম হার্ডওয়্যার নির্মাতা ওয়ার্ক লাউডারের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি ‘কোডেক্স মাইক্রো’ নামে একটি এআই-কেন্দ্রিক কিবোর্ড এনেছে। ডেভেলপারদের জন্য তৈরি ডিভাইসটিতে বিশেষ এজেন্ট কি ও এআই রিজনিং নিয়ন্ত্রণের ডায়াল রয়েছে।
এদিকে পারপ্লেক্সিটি এআই এজেন্টভিত্তিক কম্পিউটিংয়ের জন্য ‘স্পেস’ নামের একটি রানটাইম প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে। অন্যদিকে এআই ব্যবহারে ডেটা নিরাপত্তা ও বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিষয়টি নিয়েও বিভিন্ন দেশে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
মাইক্রোসফটের প্রধান নির্বাহী সত্য নাদেলা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এআই ব্যবহারে নিজস্ব গোপনীয় তথ্য সুরক্ষায় কঠোর নীতিমালা তৈরির পরামর্শ দিয়েছেন। সব মিলিয়ে চলতি সপ্তাহে এআই খাতে ওপেন-সোর্স প্রযুক্তি, স্থানীয় অংশীদারিত্ব ও এআই এজেন্টকে ঘিরে প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হয়েছে।




















