গ্রাহকদের ডিজিটাল সংযোগ ও সেবার অভিজ্ঞতাকে আমূল বদলে দেওয়ার এক দশক উদযাপন করতে মাইজিপি’র ১০ম বর্ষপূর্তি পালন করছে গ্রামীণফোন। ২০১৬ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে মাইজিপি একটি টেলিকম সেলফ-সার্ভিস অ্যাপ থেকে বিবর্তিত হয়ে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম ডিজিটাল ইকোসিস্টেমে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে ২ কোটি ৩০ লাখেরও বেশি ব্যবহারকারীকে সেবা দিচ্ছে এবং গ্রামীণফোনের ৯৯ শতাংশেরও বেশি পণ্য ও সেবাকে একক প্ল্যাটফর্মের আওতায় নিয়ে এসেছে অ্যাপটি।
পার্সোনালাইজড অফার, ফ্লেক্সিপ্ল্যান, ক্যাশব্যাক রিওয়ার্ড, বোনাস অফার, জিপি পয়েন্টস এবং জিপি স্টার সুবিধার মতো ফিচারগুলোর মাধ্যমে এআই চালিত হাইপার-পার্সোনালাইজড অভিজ্ঞতা দিচ্ছে মাইজিপি। নিজ নিজ প্রয়োজন অনুযায়ী বিনোদন, লাইফস্টাইল সুবিধা, ডিজিটাল সাবস্ক্রিপশন, ডিজিটাল ওয়ালেটের মাধ্যমে নির্বিঘ্ন ডিজিটাল পেমেন্ট ও ফিন্যান্সিয়াল সেবা ব্যবহারের পাশাপাশি গ্রাহকদের নিজস্ব সংযোগ ব্যবস্থাপনার সুযোগ করে দিচ্ছে প্ল্যাটফর্মটি।
সংযোগের বাইরেও গ্রাহকদের দৈনন্দিন ডিজিটাল জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে মাইজিপি। অ্যাপটি ‘লিঙ্কড অ্যাকাউন্ট’ এবং ‘ফ্যামিলি প্যাক’-এর মাধ্যমে পরিবার ও প্রিয়জনদের যুক্ত রাখার সুবিধা দিচ্ছে। পাশাপাশি অ্যাপটিতে রয়েছে খেলাধূলা ও বিনোদনমূলক কনটেন্ট; সম্প্রতি তুমুল জনপ্রিয় ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-ও স্ট্রিম করেছে প্ল্যাটফর্মটি। নিরবচ্ছিন্ন ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে রয়েছে নেটফ্লিক্স, হৈচৈ, চরকি ও আইটিউনসসহ বিনোদনমূলক প্ল্যাটফর্মগুলোর ডিজিটাল সাবস্ক্রিপশন ও ভাউচার সুবিধা। মাইজিপি অ্যাপ ব্যবহার করেই বাংলাদেশি টাকা ও মার্কিন ডলার উভয় মুদ্রাতেই সহজে আন্তর্জাতিক রোমিং সেবা চালু করতে পারছেন গ্রাহকরা। লাখ লাখ মানুষের জন্য এই অ্যাপের ‘ইবাদাহ’ সেবাটি একটি বিশ্বস্ত সহচরে পরিণত হয়েছে, যা নামাজের রিমাইন্ডার, সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি এবং অন্যান্য ইসলামিক সেবা প্রদান করে থাকে।
মাইজিপি’র ১০ম বর্ষপূর্তির এই মাইলফলক উদযাপন করতে মাইজিপি গ্রাহকদের জন্য নানা ধরনের আকর্ষণীয় অফার নিয়ে এসেছে গ্রামীণফোন। এই উদযাপনের অংশ হিসেবে নির্দিষ্ট মানদণ্ডে উপযুক্ত ব্যবহারকারীরা পাবেন সর্বোচ্চ ১০ জিবি বোনাস ইন্টারনেট, একটি আইফোন ১৭ প্রো জেতার সুযোগ এবং রয়েছে অন্যান্য আকর্ষণীয় সব সুবিধা।
এই উপলক্ষ্যে গ্রামীণফোনের চিফ প্রোডাক্ট অফিসার (সিপিও) সোলায়মান আলম বলেন, ‘গত এক দশকে গ্রাহকদের প্রত্যাশা যেভাবে পরিবর্তিত হয়েছে, মাইজিপিও ঠিক সেভাবেই পরিবর্তিত হয়েছে; যার মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রতিটি গ্রাহকের ডিজিটাল অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ, স্মার্ট ও সময়োপযোগী করে তোলা। প্রত্যাশাগুলো যেভাবে ক্রমশ পরিবর্তিত হয়ে চলেছে, আমরাও হাইপার-পার্সোনালাইজড অভিজ্ঞতা, ইন্টেলিজেন্ট রিকমেন্ডেশন এবং ব্যক্তিগত লাইফস্টাইলের সাথে মানানসই সেবার মাধ্যমে আমাদের গ্রাহকদের চাহিদা বোঝার জন্য প্রতিনিয়ত উদ্ভাবন করে যাচ্ছি। আজ মাইজিপি শুধু একটি টেলিকম অ্যাপের চেয়ে অনেক বেশি কিছু; এটি এমন একটি ডিজিটাল সঙ্গী যা গ্রাহকদের একটি মাত্র প্ল্যাটফর্ম থেকে নির্বিঘ্নে সংযুক্ত হতে, লেনদেন করতে, বিনোদন উপভোগ করতে এবং তাদের ডিজিটাল জীবন পরিচালনা করতে সহায়তা করছে। ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে, আমরা এমন সব অভিজ্ঞতা প্রদানের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যাতে প্রতিটি নতুন উদ্ভাবনের কেন্দ্রে থাকেন গ্রাহক।’




















