পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রগতি ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের বিরুদ্ধে ভ্যাট বা মূসক পরিশোধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বৃহৎ করদাতা ইউনিট—ভ্যাটের (এলটিইউ-ভ্যাট) নিরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আটটি খাতে মোট ৬৬ কোটি ৬ লাখ ৪১ হাজার ২৮৭ টাকা রাজস্ব ফাঁকি বা অনিয়মের তথ্য পাওয়ার কথা বলা হয়েছে।
নিরীক্ষায় অবৈধভাবে মূসক রেয়াত গ্রহণ, অব্যাহতিপ্রাপ্ত সেবা হিসেবে বিপুল অঙ্কের লেনদেন দেখিয়ে ভ্যাট পরিশোধ না করা, সহবীমা প্রিমিয়ামের ওপর মূসক না দেওয়া, বাতিল করা মানি রিসিপ্টের বিপরীতে মূসক পরিশোধ না করা, রিইন্স্যুরেন্স কমিশনের ওপর মূসক না দেওয়া এবং বিদেশ থেকে আমদানি করা সেবার বিপরীতে উৎসে মূসক পরিশোধ না করার মতো বিষয় উঠে এসেছে।
তবে এসব অভিযোগের সঙ্গে একমত নয় প্রগতি ইন্স্যুরেন্স। প্রতিষ্ঠানটির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) ও প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) অমর কৃষ্ণ শীলের দাবি, কোনো ধরনের রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয়নি। বরং নিরীক্ষায় একই লেনদেনের ওপর পুনরায় ভ্যাট আরোপের চেষ্টা করা হয়েছে বলে তাদের বক্তব্য।
তিন বছরের কার্যক্রমে নিরীক্ষা
এনবিআর সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের কার্যক্রম নিরীক্ষার জন্য ২০২৫ সালের ২৮ অক্টোবর এলটিইউ-ভ্যাটের একটি নিরীক্ষা দল গঠন করা হয়।
নিরীক্ষার সময় প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক প্রতিবেদন, ইন্স্যুরেন্স ও ভ্যাট-সংক্রান্ত নথি এবং মাসিক ভ্যাট রিটার্ন পর্যালোচনা করা হয়। নিরীক্ষা শেষে চলতি বছরের ২৯ জুলাই প্রতিবেদন দেওয়া হয়। পরে ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দাবিনামাসহ কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে নিরীক্ষায় উত্থাপিত কয়েকটি খাতের বিষয়ে পৃথক জবাব দেওয়া হয়েছে।
আমদানি করা সেবায় রেয়াত নিয়ে প্রশ্ন
নিরীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদেশ থেকে বিভিন্ন সেবা গ্রহণের বিপরীতে প্রগতি ইন্স্যুরেন্স মূসক পরিশোধ করেছে এবং পরবর্তী সময়ে সেই মূসকের বিপরীতে রেয়াত নিয়েছে।
২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি মোট ৪৩৭ কোটি ৭০ লাখ ১ হাজার ১৫৫ টাকার সেবা গ্রহণ করে। এসব সেবার বিপরীতে পরিশোধিত মূসকের পরিমাণ ছিল ৬৫ কোটি ৬৫ লাখ ৫০ হাজার ১৭৩ টাকা।
এর মধ্যে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর এবং ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট কর মেয়াদে মোট ২ কোটি ৯ লাখ ৯৩ হাজার ২৪৪ টাকা রেয়াত নেওয়া হয়েছে বলে নিরীক্ষায় উল্লেখ করা হয়।
নিরীক্ষা দলের বক্তব্য, আমদানি করা সেবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য মূসক দাখিলপত্রে উৎপাদ কর ও উপকরণ কর—উভয় অংশে প্রদর্শনের বিধান রয়েছে। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি শুধু উপকরণ কর অংশে তা দেখিয়ে রেয়াত নিয়েছে। ফলে নেওয়া রেয়াত বাতিলযোগ্য বলে নিরীক্ষায় মত দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ৭ লাখ ৫৮ হাজার ৭২৩ টাকা হ্রাসকারী সমন্বয় নেওয়া হলেও এর মধ্যে ৩ লাখ ৪২ হাজার ৮৫৪ টাকার সমর্থনকারী প্রমাণক পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্যের হিসাবে ৩৫ কোটি টাকার বেশি
নিরীক্ষায় সবচেয়ে বড় অঙ্কের অনিয়মের অভিযোগ এসেছে অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্য বা সেবা দেখানোর ক্ষেত্রে।
২০২২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রগতি ইন্স্যুরেন্স তাদের ভ্যাট দাখিলপত্রে ২৬২ কোটি ১৯ লাখ ৮০ হাজার ৯০৫ টাকা অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্য হিসেবে দেখিয়েছে।
এর মধ্যে ২৮ কোটি ৮৬ লাখ ৬ হাজার ৯১৫ টাকার প্রমাণক নিরীক্ষা দলের কাছে দেওয়া হলেও বাকি ২৩৩ কোটি ৩৩ লাখ ৭৩ হাজার ৯৮৯ টাকার বিষয়ে প্রমাণক দেখানো হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
নিরীক্ষা দলের হিসাবে, ওই অর্থের ওপর ১৫ শতাংশ হারে প্রযোজ্য মূসকের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩৫ কোটি ৬ হাজার ৯৮ টাকা। এই অর্থ পরিশোধ করা হয়নি বলে নিরীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে।
সহবীমা প্রিমিয়ামেও ভ্যাট নিয়ে বিরোধ
সহবীমা বা কো-ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়ামের ওপর ভ্যাট আরোপ নিয়েও প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের সঙ্গে নিরীক্ষা দলের মতবিরোধ হয়েছে।
নিরীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী লিডার কোম্পানি প্রযোজ্য অর্থ সংগ্রহ ও পরিশোধ করবে এবং সহযোগী বা নন-লিডার কোম্পানি তাদের প্রতিবেদনে বিষয়টি উল্লেখ করবে।
প্রগতি ইন্স্যুরেন্স নিজেদের নন-লিডার কোম্পানি হিসেবে দাবি করে জানিয়েছে, এসব সহবীমা প্রিমিয়ামের ওপর তাদের ক্ষেত্রে নতুন করে মূসক প্রযোজ্য নয়।
তবে নিরীক্ষা দল বলেছে, প্রতিষ্ঠানটি কো-ইন্স্যুরেন্স-সংক্রান্ত বিভিন্ন স্টেটমেন্ট, সিডিউল ও মানি রিসিপ্ট দিলেও সংশ্লিষ্ট পলিসির কপি, লিডার কোম্পানির মানি রিসিপ্ট, চুক্তি এবং ট্রেজারি চালানের মতো প্রয়োজনীয় প্রমাণক দেয়নি। ফলে নন-লিডার হিসেবে তাদের দাবি নিরীক্ষা দলের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি।
নিরীক্ষাধীন সময়ে প্রতিষ্ঠানটি ৫২ কোটি ৫৫ লাখ ৩১ হাজার ৭০৫ টাকা করযোগ্য প্রিমিয়াম সেবামূল্য হিসেবে দেখিয়েছে। এর ওপর ১৫ শতাংশ হারে মূসক দাঁড়ায় ৭ কোটি ৮৮ লাখ ২৯ হাজার ৭৫৫ টাকা। এর মধ্যে ১ কোটি ৪৭ লাখ ৩১ হাজার ৫৪৫ টাকা পরিশোধ করা হলেও ৬ কোটি ৪০ লাখ ৯৮ হাজার ২১০ টাকা অপরিশোধিত রয়েছে বলে নিরীক্ষায় বলা হয়েছে।
বাতিল মানি রিসিপ্টেও ভ্যাটের দাবি
প্রতিষ্ঠানটির ১২৬টি বাতিল করা মানি রিসিপ্টে ৯ কোটি ৭৬ লাখ ৪২ হাজার ৫৯২ টাকা দেখানো হয়েছে বলে নিরীক্ষা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এসব লেনদেনের যথাযথ প্রমাণক উপস্থাপন করা হয়নি বলে দাবি নিরীক্ষা দলের। ফলে ওই অর্থের ওপর ১৫ শতাংশ হারে ১ কোটি ৪৬ লাখ ৪৬ হাজার ৩৮৮ টাকা মূসক আদায়যোগ্য বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
উৎসে কর্তন করা ভ্যাটের অর্থ পরিশোধ না করার অভিযোগ
প্রগতি ইন্স্যুরেন্সকে ভ্যাট বিধিমালা অনুযায়ী উৎসে মূসক কর্তনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করেছে নিরীক্ষা দল।
নিরীক্ষাধীন সময়ে প্রতিষ্ঠানটি ৫ কোটি ৮২ লাখ ৫ হাজার ১৭৩ টাকা উৎসে মূসক কর্তন করেছে বলে বার্ষিক প্রতিবেদন বা সিএ রিপোর্টে দেখানো হয়েছে।
এর মধ্যে ২ কোটি ৫২ লাখ ৪৮ হাজার ৫৫৮ টাকা পরিশোধ করা হলেও ৩ কোটি ২৯ লাখ ৫৬ হাজার ৬১৪ টাকা পরিশোধ করা হয়নি বলে নিরীক্ষায় উঠে এসেছে।
রিইন্স্যুরেন্স কমিশনেও ৮ কোটি টাকার বেশি
নিরীক্ষা প্রতিবেদনে প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের রিইন্স্যুরেন্স কমিশনের হিসাব নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
২০২২ থেকে ২০২৪ সালের নিরীক্ষাধীন সময়ে প্রতিষ্ঠানটি ৫৩ কোটি ৮৮ লাখ ৫৭ হাজার ৯৪৫ টাকা রিইন্স্যুরেন্স কমিশন হিসেবে দেখিয়েছে।
নিরীক্ষা দলের হিসাবে এর ওপর প্রযোজ্য মূসকের পরিমাণ ৮ কোটি ৮ লাখ ২৮ হাজার ৬৯১ টাকা। ওই অর্থ পরিশোধ করা হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিদেশি সেবার বিপরীতে প্রায় ৯ কোটি ৬৮ লাখ টাকা
বিদেশ থেকে আমদানি করা সেবার বিপরীতে উৎসে মূসক পরিশোধের বিষয়টিও নিরীক্ষায় গুরুত্ব পেয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিরীক্ষাধীন সময়ে প্রগতি ইন্স্যুরেন্স ব্যাংকের মাধ্যমে বিদেশ থেকে সেবা আমদানির বিপরীতে ৬৪ কোটি ৫১ লাখ ২৭ হাজার ৮৯৯ টাকা পাঠিয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির দাবি ছিল, ঢাকা ব্যাংক পিএলসির মাধ্যমে অর্থ পাঠানোর সময় উৎসে মূসক কর্তন করা হয়েছে।
বিষয়টি যাচাই করতে এলটিইউ-ভ্যাট ঢাকা ব্যাংকের কাছে তথ্য চায়। তবে ব্যাংক থেকে উৎসে মূসক কর্তনের প্রমাণক পাওয়া যায়নি বলে নিরীক্ষা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ওই অর্থের ওপর ১৫ শতাংশ হারে ৯ কোটি ৬৭ লাখ ৬৯ হাজার ১৮৪ টাকা উৎসে মূসক প্রযোজ্য হয়েছে এবং তা পরিশোধ করা হয়নি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
আট খাতে ৬৬ কোটি টাকার রাজস্ব অনিয়মের দাবি
এলটিইউ-ভ্যাটের নিরীক্ষা প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ অনুযায়ী, প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের বিরুদ্ধে আটটি খাতে মোট ৬৬ কোটি ৬ লাখ ৪১ হাজার ২৮৭ টাকা রাজস্ব ফাঁকি বা অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
নিরীক্ষা প্রতিবেদনে ২০২২ সালে ২৩ কোটি ৭৯ লাখ ৪১ হাজার ১৭৮ টাকা, ২০২৩ সালে ১৯ কোটি ৭৮ লাখ ৬৯ হাজার ৮৯১ টাকা এবং ২০২৪ সালে ২২ কোটি ৪৮ লাখ ৩০ হাজার ২১৭ টাকা রাজস্ব ফাঁকি বা অনিয়মের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে প্রতিবেদনে বর্ণিত কয়েকটি খাতের অঙ্ক সরাসরি যোগ করলে মোট দাবির সঙ্গে অঙ্কের একটি পার্থক্য দেখা যায়। ফলে প্রকাশের আগে মূল নিরীক্ষা প্রতিবেদন ও দাবিনামা থেকে আটটি খাতের পূর্ণাঙ্গ টেবিল মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন। এটি হিসাবের উপস্থাপনাগত পার্থক্য, কোনো খাতের ওভারল্যাপ বা প্রতিবেদনের অন্য কোনো সমন্বয়ের কারণে হয়েছে কি না, তা মূল নথি যাচাই ছাড়া নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।
‘রাজস্ব ফাঁকি হয়নি’, দাবি প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের
অভিযোগগুলোর বিষয়ে প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের বক্তব্য জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির ডিএমডি ও সিএফও অমর কৃষ্ণ শীল বলেন, কোনো ধরনের রাজস্ব ফাঁকি হয়নি।
তিনি বলেন, “আমরা মনে করি, শতভাগ কোম্পানিকে বিরক্ত করা হচ্ছে। কোম্পানিগুলো ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণ করা হয়নি। যেটার ওপর শতভাগ ভ্যাট দেওয়া থাকে, সেটার ওপর আবার ভ্যাট ধরা অনেকটা হয়রানি করা। যারা ভ্যাট দেয়, তাদের হয়রানি করা।”
সহবীমা প্রিমিয়ামের বিষয়ে অমর কৃষ্ণ শীল বলেন, “একটা লিডার কিন্তু প্রথমে শতভাগ রিইন্স্যুরেন্স দিয়ে থাকে, ভ্যাট দিয়ে থাকে। সেটার ওপর আপনি কেন আবার ভ্যাট করবেন?”
তার ভাষ্য, সহবীমা শুধু প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের বিষয় নয়; বীমা খাতের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানও একই ধরনের ব্যবস্থায় কাজ করে।
তিনি বলেন, “এগুলো তো ইন্ডাস্ট্রির সবাই করে। আমি তো একা নিতে পারি না। তখন তিনটা, চারটা কোম্পানিতে স্প্রেড করে দেয়। এতে যে লিডারশিপ, সে শতভাগ ভ্যাট দিয়ে দেয়। তাহলে সেকেন্ড টাইম কি আবার ভ্যাট হবে?”
অমর কৃষ্ণ শীল আরও বলেন, “এর আগেও অডিট হয়েছে। সে সময় তো অবজেকশন দেওয়া হয়নি। এখন কেন অবজেকশন দেওয়া হচ্ছে? এটা তো শুধু প্রগতির না, কো-ইন্স্যুরেন্স তো শুধু প্রগতি করে না।”
নথি যাচাই ও দাবিনামার পরবর্তী প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ
প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো বর্তমানে নিরীক্ষা প্রতিবেদন ও দাবিনামার ভিত্তিতে উত্থাপিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি এসব অভিযোগের একটি অংশের বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে এবং রাজস্ব ফাঁকি হয়নি বলে দাবি করেছে।
ফলে চূড়ান্তভাবে কত টাকা রাজস্ব আদায়যোগ্য হবে, কোন কোন খাতে নিরীক্ষা আপত্তি বহাল থাকবে এবং প্রতিষ্ঠানটির দেওয়া ব্যাখ্যা কতটা গ্রহণযোগ্য হবে—তা পরবর্তী কর-প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট নথি যাচাইয়ের ওপর নির্ভর করবে।
এ ঘটনায় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বিদেশি সেবার বিপরীতে উৎসে মূসক, সহবীমা প্রিমিয়াম, রিইন্স্যুরেন্স কমিশন এবং অব্যাহতিপ্রাপ্ত সেবার দাবির সমর্থনে প্রতিষ্ঠানটির কাছে থাকা নথিপত্র। একই সঙ্গে নিরীক্ষা প্রতিবেদনে উল্লেখিত খাতগুলোর অঙ্ক এবং মোট দাবির মধ্যে যে পার্থক্য দেখা যাচ্ছে, সেটিও সংশ্লিষ্ট নথি দিয়ে পরিষ্কার করা প্রয়োজন।





















