গেমিং, কনটেন্ট তৈরি ও পেশাদার কাজের জন্য বাংলাদেশের বাজারে চারটি নতুন প্রিমিয়াম মনিটর এনেছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্যামসাং। নতুন এই লাইনআপে রয়েছে উচ্চ রিফ্রেশ রেটের গেমিং মনিটর, কিউডি-ওএলইডি প্রযুক্তির ডিসপ্লে এবং কম বিদ্যুৎ খরচের ‘কালার ই-পেপার’ মনিটর।
স্যামসাংয়ের নতুন মনিটরগুলোর মধ্যে রয়েছে ৫৭ ইঞ্চির Odyssey Neo G9, ২৭ ইঞ্চির Odyssey OLED G6, ৪৯ ইঞ্চির Odyssey G9 এবং Color E-Paper Monitor।
Samsung 57-inch Odyssey Neo G9
নতুন লাইনআপের সবচেয়ে বড় মডেল Odyssey Neo G9। ৫৭ ইঞ্চির এই মনিটরে রয়েছে ৭৬৮০x২১৬০ পিক্সেলের ডুয়াল ৪কে রেজল্যুশন এবং ১০০০আর কার্ভড ডিসপ্লে।
কোয়ান্টাম মিনি-এলইডি প্রযুক্তির প্যানেলটি VESA DisplayHDR 1000 সমর্থন করে। এতে রয়েছে ২৪০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট ও ১ মিলিসেকেন্ড GtG রেসপন্স টাইম। বড় পর্দার কারণে গেমিংয়ের পাশাপাশি একসঙ্গে একাধিক কাজ করার জন্যও এটি উপযোগী।
বাংলাদেশের বাজারে মনিটরটির দাম প্রায় ৩ লাখ ১০ হাজার থেকে ৩ লাখ ১২ হাজার টাকা বলে জানা গেছে।
500Hz QD-OLED গেমিং মনিটর
ই-স্পোর্টস ও দ্রুতগতির গেমিংয়ের কথা মাথায় রেখে আনা হয়েছে ২৭ ইঞ্চির Odyssey OLED G6 QHD (G60SF)। এতে রয়েছে ২৫৬০x১৪৪০ পিক্সেলের QD-OLED প্যানেল এবং ৫০০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট।
স্যামসাংয়ের দাবি অনুযায়ী, এটি দ্রুতগতির গেমিংয়ের জন্য তৈরি উচ্চ রিফ্রেশ রেটের মনিটরগুলোর অন্যতম। এর রেসপন্স টাইম ০.০৩ মিলিসেকেন্ড। পাশাপাশি ৯৯ শতাংশ DCI-P3 কালার গ্যামাট ও গ্লেয়ার-ফ্রি প্রযুক্তি থাকায় গেমিংয়ের পাশাপাশি গ্রাফিকস ও কনটেন্ট তৈরিতেও এটি ব্যবহার করা যাবে।
বাংলাদেশে মডেলটির দাম প্রায় ১ লাখ ৫২ হাজার টাকা।
৪৯ ইঞ্চির Odyssey G9
নতুন লাইনআপে রয়েছে ৪৯ ইঞ্চির Odyssey G9 OLED মনিটরও। এতে ৫১২০x১৪৪০ পিক্সেলের Dual QHD রেজল্যুশন, ৩২:৯ অ্যাসপেক্ট রেশিও এবং কার্ভড OLED প্যানেল ব্যবহার করা হয়েছে।
২৪০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট ও ০.০৩ মিলিসেকেন্ড রেসপন্স টাইমের এই মনিটরটি একই সঙ্গে গেমিং, ভিডিও এডিটিং, স্ট্রিমিং এবং মাল্টিটাস্কিংয়ের জন্য তৈরি। এর প্রশস্ত পর্দা দুটি আলাদা মনিটরের বিকল্প হিসেবেও ব্যবহার করা যেতে পারে।
কম বিদ্যুৎ খরচের Color E-Paper
নতুন সিরিজের আরেকটি ব্যতিক্রমী পণ্য Samsung Color E-Paper Monitor। প্রচলিত মনিটরের তুলনায় কম বিদ্যুৎ খরচের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে এই ডিসপ্লে প্রযুক্তি।
দীর্ঘ সময় ডকুমেন্ট পড়া, কোডিং, ডিজিটাল সাইনেজ এবং করপোরেট পরিবেশে ব্যবহারের জন্য এটি বিশেষভাবে উপযোগী। কম বিদ্যুৎ ব্যবহারের কারণে পরিবেশবান্ধব ডিসপ্লে সমাধান হিসেবেও এটিকে তুলে ধরছে স্যামসাং।
স্যামসাংয়ের নতুন এই চার মনিটর বাংলাদেশের গেমার, কনটেন্ট ক্রিয়েটর, ডিজাইনার ও পেশাজীবীদের জন্য উচ্চমানের ডিসপ্লে ব্যবহারের সুযোগ আরও বাড়াবে বলে মনে করছে প্রতিষ্ঠানটি।




















