রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস পিএলসির (বিএসসিপিএলসি) চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) আয় ও নিট মুনাফায় বড় প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির আয় বেড়েছে ৩৩ দশমিক ৮৬ শতাংশ ও নিট মুনাফা বেড়েছে ৫৬ দশমিক ৪৬ শতাংশ। কোম্পানিটির চলতি তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলসের আয় হয়েছে ৩২০ কোটি টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২৩৯ কোটি টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ২১৯ কোটি টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১৪০ কোটি টাকা। চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে সাবমেরিন কেবলসের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১১ টাকা ৭১ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৭ টাকা ৪৯ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৯৮ টাকা ৭১ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলসের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৯ টাকা ৯৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৯ টাকা ৭৮ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৯০ টাকা ৯৯ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলসের ইপিএস হয়েছে ১১ টাকা ১০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৫ টাকা ১৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৯৩ টাকা ৬ পয়সায়।
সাবমেরিন কেবলসের সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এএএ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-১’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস পিএলসি (সিআরআইএসএল)।
২০১২ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলসের অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৮৭ কোটি ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ২৯৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৮ কোটি ৭০ লাখ ৩৮ হাজার ৮৪৩। এর ৭৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ রয়েছে সরকারের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৭ দশমিক ৫২, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক শূন্য ৭ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।





















