প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেছেন, আগামী ১২ মাসের মধ্যে মোবাইল সেবায় বাংলাদেশের অবস্থান উন্নত করার লক্ষ্য রয়েছে। বাংলাদেশ বর্তমানে সাবস্ক্রাইবারের দিক থেকে বিশ্বে সপ্তম বৃহত্তম দেশ এবং সেবার মানের দিক থেকে ৯৩তম। লক্ষ্য হলো সাবস্ক্রাইবার ও সেবার মান— দুই ক্ষেত্রেই বিশ্বের শীর্ষ ১০ দেশের মধ্যে থাকা।
ইশতেহারে বর্ণিত প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর এ উপদেষ্টা আরো বলেন, সেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্য সরকার একা অর্জন করতে পারবে না। মোবাইল অপারেটরদের সহযোগিতা প্রয়োজন। অপারেটরদের প্রয়োজনীয় স্পেকট্রাম ও ব্যাকহলের ব্যবস্থা করতে সরকার সাধ্যমতো চেষ্টা করছে। কারণ ৫জি শুধু অ্যান্টেনা পরিবর্তনের বিষয় নয়। এর জন্য কোর নেটওয়ার্ক পরিবর্তন, ব্যাকহল এবং পর্যাপ্ত স্পেকট্রাম, বিশেষ করে লো-ব্যান্ড স্পেকট্রাম প্রয়োজন।
গত ছয় মাসে মোবাইল অপারেটরদের উন্নত সেবার জন্য যেসব অনুরোধ এসেছে, সেগুলো দ্রুত অনুমোদনের জন্য সরকার সাধ্যমতো চেষ্টা করেছে। ৫জি রোলআউট ঢাকায় ইতোমধ্যে ক্লাস্টারভিত্তিক শুরু হয়েছে। আগামী দুই বছরের মধ্যে সারা বাংলাদেশে ৫জি চালু করে সেবা দেয়া সম্ভব হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। এছাড়াও এতে উপস্থিত ছিলেন আইসিটি বিভাগের সচিব মামুনুর রশীদ ভূঞা।
গ্রাহকের অধিকার ও সেবার মানকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দয়া হচ্ছে উল্লেখ করে ফকির মাহবুব আনাম বলেন, টেলিটকের সেবার মান উন্নয়নে ইতোমধ্যে ৫ হাজার কিলোমিটার ড্রাইভ টেস্ট সম্পন্ন হয়েছে এবং ৬৩টি নতুন সাইট চালু করা হয়েছে। ভয়েস ওভার ওয়াই-ফাই ও ভয়েস ওভার এলটিই-এর মতো আধুনিক প্রযুক্তিও পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে।
মন্ত্রী আরো বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো গ্রাহক যেন আরো ভালো নেটওয়ার্ক, নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ ও উন্নত সেবা পান। আধুনিক স্পেকট্রাম মনিটরিংয়ের মাধ্যমে অবৈধ তরঙ্গ ব্যবহার বন্ধ এবং নেটওয়ার্কের মান উন্নয়নের কাজ চলছে।
কলড্রপ ও মোবাইল ডেটা প্যাকেজের বিষয়েও অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, সাত দিনের ডেটা প্যাকেজের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অব্যবহৃত টাকা থাকলে আরো এক বা দুই দিন ব্যবহারের সুযোগ দেয়া যায় কি না, সে বিষয়ে মোবাইল অপারেটরদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে।






















